টাকা না পেয়ে গৃহবধূকে নির্যাতন

kaler kantho
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি | ৩০ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০
রূপগঞ্জে দাবি করা টাকা না পেয়ে এক গৃহবধূকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার রাতে উপজেলার পূর্বগ্রাম এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নির্যাতিত নার্গিস আক্তার (২০) উপজেলার তালাশপুর এলাকার গ্রাম পুলিশ জুলহাস মিয়ার মেয়ে ও পূর্বগ্রাম এলাকার আউয়াল মিয়ার ছেলে বাবুর স্ত্রী।জুলহাস মিয়া জানান, ছয় মাস আগে নার্গিস আক্তারের সঙ্গে বাবুর বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তিনি মেয়ের সুখের চিন্তা করে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে দেড় লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও এক লাখ টাকার আসবাবপত্র দেন। এর কিছুদিন পর থেকেই বাবু, তাঁর মা-বাবা ও বাড়ির লোকজন ৫০ হাজার টাকা দাবি করে নার্গিসকে নির্যাতন শুরু করে। গত রবিবার রাতে তারা নার্গিসের কাছে একই দাবি করে। টাকা দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দেন নার্গিস। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নার্গিসের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি, ভাশুরসহ তাদের লোকজন ঘরের দরজা বন্ধ করে নার্গিসকে রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।

তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন

jugantor
গাজীপুর প্রতিনিধি | প্রকাশ : ৩০ আগস্ট, ২০১৬ ০৯:০১:১৪
গাজীপুরে গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে পালিয়েছে স্বামী, শাশুড়ি ও ভাসুর।
নির্যাতিত গৃহবধূর নাম এনি আক্তার (৩৩)। স্বামীর পরিবারের সদস্যদের অমানুষিক নির্যাতনে গৃহবধূ এনির রক্তে লাল হয়ে ওঠে ঘরের বারান্দা ও বাড়ির উঠান। এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে মৃত ভেবে বাড়িঘরে তালা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় নির্যাতনকারীরা। যাওয়ার সময় পানি ঢেলে রক্ত মুছে দেয়ার চেষ্টা করে। প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে এনির বাবা-মা উঠানে রশিতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এনিকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এনির বাবা মজিবর রহমান ও স্থানীয়রা জানান, চার বছর আগে এনির সঙ্গে বিয়ে হয় কাথোরার হাবিব উল্লাহ মাস্টারের ছেলে খায়রুল ইসলামের। এনির পরিবার অস্বচ্ছল থাকায় এ বিয়েতে খায়রুলের পরিবারের সম্মতি ছিল না। বিয়ের পর থেকেই এনিকে তালাক দেয়ার জন্য খায়রুলকে চাপ দিচ্ছিলেন তার মা রেহেনা বেগম ও বড় ভাই মঞ্জু। পরিবারের চাপে খায়রুল এনিকে তালাক দিলেও ক’দিন পরে আবার ৭ লাখ টাকার দেনমোহরে তাকে পুনরায় বিয়ে করেন। এ ঘটনায় খায়রুলকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকেও বঞ্চিত করা হয়। দেড় বছর আগে তাদের একটি মেয়ে হয়। এতে এনির ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। Continue reading

স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

prothom alo
জয়পুরহাট প্রতিনিধি | আপডেট: ০১:২৯, আগস্ট ৩০, ২০১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ
জয়পুরহাটের সদর উপজেলার কোমরগ্রামে বেনুয়ারা বেগম নামের এক গৃহবধূকে গত রোববার গভীর রাতে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সদর থানায় গতকাল সোমবার মামলা হয়েছে। মামলার আসামি গৃহবধূর স্বামী রেজাউল করিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রেজাউল (৪০) গত রোববার দিবাগত রাতে নিজ শয়নকক্ষে তাঁর স্ত্রী বেনুয়ারাকে (৩৫) বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে লাশটি বাড়ির বাইরের একটি খড়ের গাদার পাশে রেখে দেন। সেখান থেকে গতকাল সকালে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি জেলা আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। লাশ উদ্ধারের সময় রেজাউল বাড়িতেই ছিলেন। তখন তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জয়পুরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রায়হান বলেন, বালিশ চাপা দিয়ে বেনুয়ারাকে হত্যা করে লাশ বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যক্ষদর্শী এ দম্পতির সাত বছরের ছেলে রাহুল। সে পুলিশের কাছে এ হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় রেজাউলকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, ৩০ আগস্ট, ২০১৬

২০ হাজার টাকার জন্য স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা!

jugantor
গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি | প্রকাশ : ২৮ আগস্ট, ২০১৬ ২২:১৫:১২
যৌতুকের ২০ হাজার টাকা না পেয়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় নির্যাতনের পর স্ত্রীর মুখে বিষ ঢেলে হত্যার চেষ্টা করেছে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ মাহ্ফুজা বেগম (২৫) বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এ ঘটনায় নির্যাতিতা মাহ্ফুজা বেগমের ভাই আলতাফ বয়াতী বাদী হয়ে স্বামী ও শাশুড়িসহ পাঁচজনকে আসামি করে রোববার সকালে গৌরনদী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে যৌতুকলোভী স্বামী ও শাশুড়িসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে, গত পাঁচ বছর আগে উপজেলার শরিকল ইউনিয়নের কুড়িরচর গ্রামের মহসেন হাওলাদারের ছেলে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত শাহ্জাহান বয়াতীর কন্যা মাহ্ফুজা বেগমের বিয়ে হয়। গৌরনদী মডেল থানার চলতি দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আফজাল হোসেন জানান, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় গৃহবধূ তার ভাইদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক এনে দিয়েছেন স্বামীকে। Continue reading

অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামী ও শ্বশুর আটক

prothom alo
গাজীপুর প্রতিনিধি | আপডেট: ০৫:০৪, আগস্ট ২৮, ২০১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ
গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর কলেজপাড়া এলাকায় গত শুক্রবার অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূ হাসপাতালে মারা গেছেন। তাঁকে হত্যার অভিযোগে হাসপাতাল থেকে স্বামী ও শ্বশুরকে আটক করেছে পুলিশ। ওই গৃহবধূ ভাওয়াল মির্জাপুর কলেজপাড়া এলাকার রুবেল মিয়ার স্ত্রী সুমা আক্তার (৩০)। নিহত সুমার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার সুমা আক্তারের সঙ্গে আট-নয় বছর আগে ভাওয়াল মির্জাপুর কলেজপাড়া এলাকার সামসুল হকের ছেলে রুবেলের (৩৫) বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে সাত বছরের একটি মেয়ে ও চার বছরের একটি ছেলে রয়েছে। কিছুদিন ধরে অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন রুবেল। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের শুরু। শুক্রবার সকালেও এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। কপর্যায়ে রুবেল দুই শিশুকে ঘর থেকে বের করে দেন এবং দরজার বাইরের ছিটকিনি লাগিয়ে চলে যান। কিছুক্ষণ পর ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে সুমার মেয়ে চিৎকার শুরু করে। Continue reading

ঠাকুরগাঁওয়ে যৌতুকের জন্য গৃহবধূ হত্যা

kaler kantho
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি | ২৭ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০
ঠাকুরগাঁও সদরের ফকদনপুর কসাইপাড়া গ্রামে যৌতুকের টাকা না দিতে পারায় গৃহবধূ রানী আক্তারকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী ফয়জুল ইসলাম পলাতক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৮ মাস আগে সদর উপজেলা রহিমানপুর কৃষ্ণপুর গ্রামের আব্দুস সালামের মেয়ে রাবিয়া সুলতানা (রানী আক্তার) নিজের পছন্দেই বিয়ে করেন পাশের গ্রাম ফকদনপুর কসাইপাড়ার মো. আলমের ছেলে ফয়জুল ইসলামকে। বিয়ের সময় রানীর পরিবার ফয়জুলকে নগদ এক লাখ ৩০ হাজার টাকা, একটি গরু, স্বর্ণালংকারসহ আসবাব যৌতুক হিসেবে দেয়। কিন্তু বিয়ের তিন-চার মাস অতিবাহিত হতে না হতেই ফয়জুল নানা অজুহাতে রানীর পরিবারের কাছ থেকে টাকা দাবি করে আসছে। মেয়ের সুখের কথা ভেবে ফয়জুলকে আরো দেড় লাখ টাকা দেয় রানীর পরিবার। কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট হননি ফয়জুল। রানীর মা লতিফা বেগম বলেন, ‘গত মঙ্গলবার রানীকে নিয়ে আমার বাড়িতে এসে হাজির হয় ফয়জুল। ব্যবসার অজুহাতে টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দিতে অসম্মতি জানালে রানীকে পরিবারের সবার সামনেই মারধর করে। এ অবস্থায় আরো কিছু টাকা দিয়ে ফয়জুলকে শান্ত করা হয়। Continue reading

মহালছড়িতে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

prothom alo
খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা | আপডেট: ০১:৩৮, আগস্ট ২৭, ২০১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার কেয়াংঘাট এলাকা থেকে গতকাল শুক্রবার ময়না আক্তার (১৯) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রের ভাষ্যমতে, বিয়ের আগে কেয়াংঘাট গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলামের সঙ্গে ময়না আক্তারের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে ময়না আক্তার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এরপর ময়না আক্তার বিয়ের জন্য চাপ দিলে রবিউল নানা অজুহাতে এতে অস্বীকৃতি জানান। দেড় মাস আগে এ নিয়ে সালিস হয়। এরপর ময়নার সঙ্গে রবিউলের বিয়ে হয়। ময়নার বাবা ময়নুল ইসলাম বলেন, বিয়ের পর রবিউলের পরিবার ময়নাকে মেনে নিতে পারেনি। এ নিয়ে প্রায়ই ময়নার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হতো। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রবিউল ময়নাকে তাঁদের বাড়ি দিয়ে যান। পরে রাত ১০টার দিকে আবার নিয়ে যান। শুক্রবার সকালে জলাশয়ে ময়নার লাশ পাওয়া যায়। ময়নুল ইসলামের অভিযোগ, রবিউল ইসলাম ময়নাকে হত্যা করেছেন। মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেমাহুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করছে। তিনি জানান, এ ঘটনায় রবিউলকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার রবিউলকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, ২৭ আগস্ট, ২০১৬